
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস-সেনা বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধে অংশ নেয়া সাবেক ইরানি যোদ্ধাদের এক সমাবেশে এই মন্তব্য করেছেন।
দক্ষিণ পূর্ব ইরানের কেরমান প্রদেশে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে কাসেম সোলাইমানি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণ কয়েকটি বন্ধু ও মুসলিম দেশের অবরোধের শিকার হয়েছে।
আইআরজিসি’র কুদস বাহিনী কমান্ডার বলেন, কেউ কেউ ইরানের হাত থেকে ফিলিস্তিনের পতাকা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে, কিন্তু দেখতে হবে যে কোন্ আরব দেশটি ফিলিস্তিনকে সহায়তা দেয়ার ক্ষমতা রাখে?
কাসেম সোলাইমানি মধ্যপ্রাচ্যে তাকফিরি-ওয়াহাবিদের ধর্মীয় ফেতনা সৃষ্টি প্রসঙ্গে বলেছেন, তাকফিরি সন্ত্রাসী ও তাদের সহযোগীরা চেয়েছিল ইরানকে এই ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অক্ষম ও নতজানু করতে, কিন্তু দায়েশ বা কথিত আইএসআইএল-এর জন্ম ও তাদের খতম হওয়ার ঘটনায় ইসলামী ইরানের সম্মান আর শক্তি অন্তত বিশ গুণ বেড়েছে।
কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যম আইএসআইএল তথা দায়েশকে আইএস বলে উল্লেখ করে থাকে।
শত্রুরাই এখন ইরানের শক্তি বাড়ার কথা স্বীকার করছে- এ কথা উল্লেখ করে সোলাইমানি বলেছেন, সিরিয়া আর ইরাকের প্রতিরক্ষার কারণে ইরান বিশ্বের জনগণের কাছে সবচেয়ে প্রিয় দেশগুলোর তালিকায় এবং ইরানি জাতি বিশ্বের সবচেয়ে প্রিয় জাতিগুলোর তালিকায় স্থান পেয়েছে।
তিনি একজন বিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতার সঙ্গে অজ্ঞ-মূর্খ নেতার পার্থক্য তুলে ধরতে গিয়ে বলেছেন, কোনো দেশের জ্বালানী তেল বেশি থাকা সত্ত্বেও সুস্থ বুদ্ধিবৃত্তি না থাকলে ইয়েমেনের সঙ্গে যুদ্ধ করার মতো পাগলামি দেখা দেয় এবং এই জাতীয় জাহেল লোকেরা এই যুদ্ধের আগুন নেভাতে অক্ষম।
برچسب:
نویسنده: رادین حیدری