ইমাম হুসাইন(আ.) কারবালার ময়দানে নামাজ আদায় করে সবাইকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে গেছেন যে নামাজের গুরুত্ব কত বেশী। তিনি বলেছেন: আমি নামাজকে ভালবাসি, নামাজ আমার চোখের জ্যোতি।
ইমাম হুসাইনের আন্দোলনের কারণ হিসাবে অপর দু’টি কারণ উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে তাঁর আন্দোলনের একমাত্র কারণই ছিল সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ।
পবিত্র কোরআন ও রাসূলের হাদীসে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধের ব্যাপারে যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে সেই নির্দেশের অনুবর্তী হয়েই ইমাম হুসাইন (আ.) বিদ্রোহ করেছেন।
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে :
ولْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُوْنَ إِلَى الْخَيْرِ وَ يَأْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوْفِ وَ يَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَ أُوْلَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ
তোমাদের মধ্যে এমন একদল হোক যারা সৎ কাজের আদেশ করবে এবং অসৎ কাজে বাধা দেবে, তারাই সফলকাম।
কোরআন মজীদ আরো বলছে :
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ للنَّاسِ تَأْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوْفِ وَ تَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرْ
তোমরা মানব জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ জাতি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে, (কারণ) তোমরা সৎ কাজের আদেশ কর ও অসৎ কাজে নিষেধ কর।
ইমাম হুসাইন মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধের মাধ্যমে।
برچسب:
نویسنده: رادین حیدری